শারমিন সীমা: রাজধানীর ওয়ারীর শের ই বাংলা বালিকা মহা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে জটিলতা এবং শিক্ষিকা কর্তৃক উৎকোচ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মহিশা আক্তার মিমি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিকট লিখিত আবেদন করেছেন।
আবেদনপত্র সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থী মহিশা আক্তার মিমি ২০২০ সালে চতুর্থ শ্রেণীতে উক্ত বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ২০২০ সালে তার মায়ের মৃত্যুর পর ছোট দুই বোনের দেখাশোনার কারণে তার পড়াশোনায় কিছু বিঘ্ন ঘটেছিল। পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্তে তিনি ২০২৪ সালে পুনরায় ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং ওই বছরেই তার ষষ্ঠ শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
অভিযোগে প্রকাশ, ২০২৫ সালে যখন তাকে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়, তখন প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের পর শ্রেণী শিক্ষিকা ঝুলন রানী ভর্তি ফি ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন ঠিক করার কথা বলে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দাবি করেন এবং তা আদায় করেন। শিক্ষার্থী বুঝতে না পেরে সেই টাকা প্রদান করেছিলেন।
বর্তমানে শিক্ষার্থী মহিশা আক্তার মিমি ২০২৬ সালে নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত আছেন। কিন্তু সম্প্রতি তাকে জানানো হয়েছে যে, তার নবম শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন হবে না, কারণ তার ইতিপূর্বে ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। অথচ একটি শিক্ষাবর্ষে নিয়মমাফিক অধ্যয়ন ও উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণীতে পৌঁছানোর পর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে এমন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন ও ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কোনো ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়াই তার নবম শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন দ্রুত সম্পন্ন করে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের পরিক্ষার খাতা হারানোর অভিযোগ রয়েছে বলে একটি বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply